Cricx-এর লক্ষ্য ও মূল্যবোধ
Cricx-এর মূল লক্ষ্য হলো বাংলাদেশের প্রতিটি বেটারের কাছে একটি বিশ্বমানের কিন্তু সম্পূর্ণ স্থানীয় অভিজ্ঞতা পৌঁছে দেওয়া। আমরা বিশ্বাস করি যে অনলাইন বেটিং একটি বিনোদন — যেটা দায়িত্বশীলভাবে উপভোগ করা যায় এবং করা উচিত। সেই বিশ্বাস থেকেই Cricx তৈরি হয়েছে।
Cricx-এ কোনো কিছু লুকানো থাকে না। প্রতিটি বোনাসের শর্ত স্পষ্ট বাংলায় লেখা থাকে, প্রতিটি লেনদেনের বিস্তারিত রেকর্ড রাখা হয় এবং যেকোনো বিরোধ দ্রুত ও নিরপেক্ষভাবে সমাধান করা হয়। এই স্বচ্ছতাই Cricx-কে বাংলাদেশে বিশ্বস্ততার প্রতীক করে তুলেছে।
দায়িত্বশীল বেটিং আমাদের অগ্রাধিকার
Cricx জানে যে বেটিং একটি ঝুঁকিপূর্ণ কার্যক্রম। তাই আমরা শুরু থেকেই দায়িত্বশীল বেটিং নিশ্চিত করতে বিভিন্ন সরঞ্জাম দিই — যেমন ডিপোজিট লিমিট, সেলফ-এক্সক্লুশন এবং কুলিং-অফ পিরিয়ড। Cricx-এ কখনো অপ্রাপ্তবয়স্কদের জন্য অ্যাকাউন্ট খোলার সুযোগ নেই এবং কঠোর যাচাইকরণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সকল সদস্যের বয়স নিশ্চিত করা হয়।
আমাদের বিশ্বাস — একজন সুখী ও সুস্থ খেলোয়াড় দীর্ঘমেয়াদে Cricx-এর সবচেয়ে বড় সম্পদ। সেই কারণেই আমরা আগ্রাসীভাবে প্রমোশন না করে, টেকসই সম্পর্ক গড়তে বিশ্বাস করি।
প্রযুক্তিগত উৎকর্ষতায় Cricx
Cricx-এর প্ল্যাটফর্ম সর্বাধুনিক প্রযুক্তিতে তৈরি। লাইভ বেটিংয়ের সময় অডস মাত্র মিলিসেকেন্ডে আপডেট হয়, যা আপনাকে সবচেয়ে সঠিক সময়ে সবচেয়ে ভালো সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে। মোবাইল প্রথম ডিজাইন মানে স্মার্টফোন থেকেই সম্পূর্ণ অভিজ্ঞতা পাওয়া যায় — আলাদা অ্যাপ ডাউনলোডের ঝামেলা ছাড়াই।
আমাদের সার্ভার আপটাইম ৯৯.৯% — মানে বড় ম্যাচের দিনও Cricx কখনো ডাউন হয় না। বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচের সময় কোটি মানুষ যখন লাইভ বেটিং করেন, তখনও Cricx-এর সার্ভার পুরোপুরি স্থিতিশীল থাকে।
সমাজের প্রতি Cricx-এর দায়িত্ব
Cricx শুধু একটি ব্যবসা নয়। আমরা বিশ্বাস করি যে একটি দায়িত্বশীল ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সমাজের প্রতিও দায়িত্বশীল হয়। Cricx থেকে অর্জিত রাজস্বের একটি অংশ বাংলাদেশের তরুণ ক্রিকেটারদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে দেওয়া হয়। আমরা স্থানীয় ক্রীড়া উন্নয়নে বিনিয়োগ করি কারণ আমরা মনে করি খেলাধুলার উন্নতি হলে বেটিং সংস্কৃতিও আরও স্বাস্থ্যকর হয়।